বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অংশ নিন
🗳 জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন
আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে—
সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র, স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা এবং জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। আপনার ভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
"আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে নিম্নলিখিত সাংবিধানিক সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?" (হ্যাঁ/না):
(ক): নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
(খ): আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
(গ): সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে একমতো হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ নিশ্চিত করিতে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।
(ঘ): জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।
হ্যাঁ ✓না
ভোট প্রদানের জন্য উপরের যে-কোনো একটিতে (✓) টিক বা (✗) ক্রস চিহ্ন দিন।
তাহলে হ্যাঁ ভোট দিন, "হ্যাঁ" ভোট দিলে উপরের সবকিছু পাবেন। "না" ভোট দিলে কিছুই পাবেন না।
মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে।
🗳️ গণভোট শুরু হতে বাকি
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অংশ নিন
আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে—
১. সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
২. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
৩. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৪. যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৫. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
৬. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৭. দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৮. আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
৯. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১০. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
১১.রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষারও সাংবিধানিক স্বীকৃতি হবে।
১২. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
তাহলে হ্যাঁ ভোট দিন
"হ্যাঁ" ভোট দিলে উপরের সবকিছু পাবেন। "না" ভোট দিলে কিছুই পাবেন না।
মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে।
